The Lullaby

by Himanshi Sharma

~

Characters:
Hands.
Skin.
Big pulsating brain.

Props (Optional): Smelly cots reeking of new-borns.

The scene opens in a verandah,
In the corner stands
A sheepish Hero Honda.
(Complementing the 24 year old
Unyielding iron almirah,
From across the hallway, staring)

Enter characters.

Four large fingers
Tickle two little feet;
They run away.
Two huge hands
Grope itsy-bitsy skin;
It shrinks.
One monster nerve
Squeezes swelled brown scoops
And a twist.

A shriek.
A creak.
Hands loosen;
Feet hurry;
Apologetic smiles;
A lullaby.
Exit.

10525022_10204553673709815_597031395_n

~

image sources

featured: http://fagleyforestschool.blogspot.in/2013_03_01_archive.html

end image: Shutterstock

 

Advertisements

শহরের বাইরে, বৃত্তের বাইরে

by Debayudh Chatterjee

দেবায়ুধ চট্টোপাধ্যায়

~

( মৌরিফুল গ্রীষ্ম ১৪২১  সংখ্যায় প্রকাশিত)

 

দুটি শহরের মাঝখানে যত জ্যোৎস্না, যত যুদ্ধ, যত দূরত্ব, যত ঘনিষ্ঠতা, তার চেয়েও বেশী আশ্লেষ বিগত ছ’মাস ধরে আমাকে বেঁধে রেখেছে। আমার ফোনে এখন দুটো সিম- একটা দিল্লী, আরেকটা কলকাতা- একটায় লোকাল এলে অন্যটায় রোমিং কাটে। পাই পয়সার হিসেবে নির্ধারিত হয় স্থান, কাল, পাত্রের সঙ্গে বৈদ্যুতিক যোগাযোগ স্থাপন। আমার রুমমেট আর হাতে গোনা দুয়েকজন বং বন্ধু ছাড়া আমি আর কারুর সঙ্গে বাংলায় কথা বলি না, আমার আর্তনাদ করার ভাষা এখন টুটাফাটা হিন্দী এবং ভারতীয় ইংরিজির মিশেল। আমরা বন্ধুরা কেউ মাড়োয়ারি, কেউ তিব্বতি, কেউ জাট, কেউ উত্তরপ্রদেশের, কেউ আসামের, কেউ হরিয়ানার, কেউ এনসিআরের। আমি সকালবেলা ব্রেকফাস্ট করি মসালা চায়ে এবং মাটঠির ওপর, দুপুরে গিলতে হয় কারি চাওয়াল, বিকেলে ব্রেড পাকোড়া, রাত্তিরে কখনও-সখনও হোস্টেলের ঘরে ইলেকট্রিক কুকারে তিব্বতি ঘরানায় রাঁধা পর্ক উইড ব্যাম্বু শুটস। ছ’মাস আগেও এরকমটা ছিল না।

এই ছ’মাসে আমার পৃথিবীটা আশিরনোখ পালটে গেছে। দিল্লীতে আসার পর খোলনলচে সমেত বদলে গেছে ভারতবর্ষ সম্পর্কে, পশ্চিমবঙ্গ সম্পর্কে কলকাতায় টানা একুশ বছর কাটানোর সুবাদে গড়ে ওঠা সমস্ত ধ্যানধারণা। আমি এখন মা কিম্বা কোনো ওয়াশিং মেশিনের সাহায্য ছাড়াই নিজের জাঙিয়া নিজে কাচতে পারি, রাত্তিরে কটায় ফিরব, ক’পেগ মদ খাবো, এসব কৈফিয়ত কাউকে দেবার প্রয়োজন পড়ে না। এই আমার ভালোবাসার স্বাধীনতার স্বাদ। এই আমার স্বাধীনতার ভালোবাসার স্বাদ। কোনো এক পূর্ণিমা সন্ধ্যায় গার্লস হোস্টেলের এক বান্ধবী আমাকে লাইব্রেরির পাশের পাঁচতলা উঁচু টাওয়ারটায় বসিয়ে পড়ে শোনায় হরিবংশ রাই বচ্চনের মধুশালা। প্রথমে হিন্দীতে, তারপর ইংরিজিতে বোঝায় তার সারমর্ম। আমি তাকে পড়ে শোনাই কখনও ভাস্কর চক্রবর্তী, কখনও সুবোধ সরকার, কখনও সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়, কখনও বা নিজের কবিতা। দিল্লীতে আসার আগে আমি গালীব কিম্বা কেদারনাথ সিংহ সেভাবে পড়িনি। আমার রুমমেটের ইন্ডিয়ান ইংলিশ পোয়েট্রি সম্পর্কে বিশাল আগ্রহ ও পাণ্ডিত্য- অর মারফত আমার আলাপ হয় আরবিন্ড কৃষ্ণ মেরহোত্রা কিম্বা অরুণ কোলাতকারের লেখার সঙ্গে। আমরা আর্টস ফ্যাকাল্টির পেছনের মাঠে বসে পাঠ করি ভারতবর্ষের নানা প্রান্তে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাষায় লেখা নকশালপন্থী কবিতা। ৩৪ নম্বর ঘরে থাকত তরুণ তিব্বতি কবি- গেলে থেন্ডুপ ভুটিয়া। তার সঙ্গে পরিচয় না হলে আমি টেনজিন সুন্ডু কিম্বা ভুচুং ডি সোনামের নাম শুনতাম কিনা সন্দেহ।

10518912_10152747480373243_1410938951_n

এই ছ’মাসে আমার অনেকগুলো দরজা খুলে গেছে। আমি কলকাতার কাউকে কোনোদিন অন্ধ্র প্রদেশ কিম্বা রাজস্থানের কবিতা পড়তে দেখিনি। বাংলা, কিছু প্রচলিত ইংরিজি এবং বিশ্ব সাহিত্যের কবিতার বাইরে যে একটা আলাদা জগৎ প্রতি মুহূর্তে ভাঙছে, গড়ছে, বাড়ছে এবং তার সঙ্গে নির্মাণ করছে অনন্য সাধারণ  সাহিত্য,  আমি কলকাতায় পড়ে থাকলে জানতে পারতাম না। দিল্লী অসম্ভব একটি প্রফেশনাল এবং আপডেটেড একটি শহর। এখানে কারুর বেকার মধ্যমেধার আঁতলামি করার সময় নেই- এখানে হয় লোকে কবিতা পড়ে, নয়ত পড়ে না। যারা পড়ে তারা খুঁটিয়ে পড়ে, যারা পড়ে না তারা একেবারেই পড়ে না। দু’লাইনের পাণ্ডিত্য দেখানোর ওস্তাদ কেউ নয়। এখানে সাহিত্যের জোয়ার অনেকটা বিস্তৃত, উঠোনটা অনেকটা বড়ো। আমিও এক কণা শ্যাওলার মতো ক্রমশ হয়ে উঠছি এই উঠোনটার ইট কাঠ কংক্রিটের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। সন্ধ্যার দিকে হ্যাবিট্যাট সেন্টার, সিপির অক্সফোর্ড বুকস্টোর কিম্বা সাহিত্য আকাদেমীর রবীন্দ্রভবনে যে সমস্ত অনুষ্ঠান হয় তা আমাকে সাহিত্য সম্পর্কে নতুন ধারণা দিয়েছে। এরকম অনেক অবাঙালির সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছে যাদের রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ, মহাশ্বেতা দেবী, বাদল সরকারের ব্যাপারে যা জ্ঞান তা দেখে অনেক বাঙালি আঁতেলেরই প্যান্ট হলুদ হয়ে যাবে। দিল্লীর তুলনায় কলকাতা অনেকটাই প্রাদেশিক, সহজ ভাষায় যাকে রিজিওনাল বলে। কলকাতার প্রচুর প্রাণ এবং হৃদয় থাকতে পারে, কিন্তু তাতে চিঁড়ে ভেজে না। পেশাদারিত্বের অভাব এবং প্রাদেশিকতা নিয়ে একটা দেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী হওয়া সম্ভব নয়। এখানে হুজুগ বেশী, কাজ কম।

এটা লেখার জন্য আমাকে অনেক বাঙালিই খিস্তি মারতে পারেন। কিন্তু সত্য কঠিন হলেও তা বাস্তব। বাংলা কবিতা এখনও ভীষণ কলকাতা কেন্দ্রিক। যদিও সত্তর দশকে বাঙালি কবিরা গ্রাম দিয়ে শহর ঘিরে ফেলেছিলেন, সেই সত্তরের কবিরাই আজ কলকাতা হয়ে গেছেন। অধিকাংশ কবিই স্থান-কাল-পাত্রের একটা বৃত্তের মধ্যে আবদ্ধ। শয়ে শয়ে প্রকাশিত লিটল ম্যাগাজিনের পাতায় রিপিটেশনে ভর্তি একই রকম সব লেখা, প্রতিটি টেবিলে একই ধরণের জটলা। সাহিত্যের সামগ্রিক মানচিত্র ঘেঁটে দেবার মতো শেষ কবে একটা বই বাংলা সাহিত্যে লেখা হয়েছিল? ৯০ দশকে নাকি তারও আগে? বিগত দশ বছরে মনে গেঁথে রাখার মতো কি কি কবিতা লেখা হয়েছে বাংলায়? আমরা ক’জন পড়ে দেখি আসাম, ত্রিপুরা, কিম্বা অন্যান্য রাজ্যের বাংলা কবিতা?

এই পোস্ট-কলোনিয়াল বিশ্বে ইংরেজি সাহিত্যে ইংল্যান্ড আমেতিকার আধিপত্যের গদি অনেকদিন হল গেছে- কদর পাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, সাউথ এসিয়া, মিডল ইস্ট, ক্যানাডা, লাতিন আমেরিকার লেখা। কিন্তু এই ইন্টারনেটের যুগেও ‘মেনস্ট্রিম’ বাংলা সাহিত্য একটা খাঁচার মধ্যে বন্দী।  মুম্বাই, চেন্নাই, দিল্লী, লন্ডন, ডেট্রয়েট সর্বত্র তো বাংলা কবিতা লেখা হয়, তার খবর কে রাখে? আজ ঝুম্পা লাহিড়ি, অমিতাভ ঘোষরা বিদেশে বসে লিখছেন বাঙালির কথা, ইংরেজিতে লিখছেন বলে আমরা নাচানাচি করছি। কিন্তু তারা বাংলায় লিখছে কি এতটাই পাত্তা  পেতেন? পারতেন সুনীল কিম্বা সুচিত্রা ভট্টাচার্যের পাশে একাসনে জায়গা করে নিতে? ভিন রাজ্যের বাঙালীদের লেখা এখনও কেন মুলস্রোতে ব্রাত্য? ভাবার সময় এসেছে। এখন দরকার বাংলাকে বাংলার বাইরে বের করে দেওয়া।

আমি জানি না আবার কোনোদিন কলকাতায় ফিরে পাকাপাকিভাবে বসবাস করব কিনা। পরিযায়ী পাখির মতো বছরে বেশ কয়েকবার আসবো পুরোনো পাড়া, পুরোনো গলির টানে, ফিরেও যাবো আবার। তাই বলে কি আমার বাংলায় লেখার একটা জায়গা থাকবে না? বাঙালি লেখক হিসেবে পরিচিতি পেতে গেলে কি কলেজ স্ট্রীট আর নন্দন এলাকায় হোলটাইমারগিরি করতে হবে?

আমি পাহাড়গঞ্জের স্যামস ক্যাফের ছাদে বসে বাংলা বই পড়ি, অবাঙালি বন্ধুদের পড়ে শোনাই শ্রীজাত-বিনায়ক-অংশুমান-মন্দাক্রান্তার কবিতা- আমার লেখায় উঠে আসুক পাঞ্জাবী বান্ধবীর গোপন তিলের কথা, উঠে আসুক বসন্ত বিকেলের হজ খাস, রবিবার দুপুরের  দরিয়াগঞ্জ, চাঁদনী-চকের অলিগলির কিয়ারোস্কিউরো- ময়ূরাক্ষীর ঢেউ অনুবাদিত হয়ে আছড়ে পড়ুক নয়ডা কিম্বা ফরিদাবাদে, নর্মদার জল কংসাবতীতে মিশুক, অ্যাটলান্টিক সরাসরি কথা বলুক বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে। রবীন্দ্রনাথ তার জীবনের প্রায় অর্ধেক সময় কাটিয়েছেন জাহাজের ডেকে বা বিদেশের মাটিতে।  প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মিলন ঘটানোর এক দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা তাকে বাংলার রাস্তায় আটকে রাখতে পারেনি- তিনি বারবার ছুটে গেছেন চেনা পরিধির বাইরে। কোনো নির্দিষ্ট ভাষায় কবিতা যেদিন তার আঞ্চলিক পরিধি তথা কমফর্ট জোনকে অতিক্রম করে উঠে আসবে বিশ্বের দরবারে, সেদিন, হ্যাঁ, সেদিনই সে সাবালক হবে।

আর যতদিন না আমরা এই আঞ্চলিক হেজিমনি ভাঙতে পারবো, ততদিন পর্যন্ত চর্বিত চর্বণ করা ছাড়া আমাদের আর কিছু ছেঁড়ার নেই। একই রকমের আরেকটা কাগজে প্রকাশিত একইরকমের আরেকটা কবিতা একেওপরের পিঠ চুলকে যাবে- ফাঁকতালে  ভাষাটাই হারিয়ে যাবে। কলকাতা, শুনতে পাচ্ছো কি?

 

লেখক পরিচিতি

দেবায়ুধ চট্টোপাধ্যায় (জন্ম- ১৯৯১) বর্তমানে দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরিজি সাহিত্যের ছাত্র। স্কুল থেকেই কাব্যচর্চা শুরু। প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় ক্লাস নাইনে, স্কুল ম্যাগাজিনে ২০০৬ সালে। ২০০৮/৯ থেকে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিয়মিতভাবে কবিতা প্রকাশ শুরু। লিখেছেন দেশ, শারদীয়া আনন্দবাজার পত্রিকা, উনিশ-কুড়ি, কৃত্তিবাস, কবিসম্মেলন, রবি, সকালবেলাসহ নানা ছোটবড়ো কাগজে। তার কবিতার অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে সাহিত্য আকাদেমীর ইন্ডিয়ান লিটারেচার, মিউজ ইন্ডিয়া, কৃত্য, পোয়েট্রি সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ার বার্ষিক জার্নাল সহ নানা যায়গায়। কবিতা লেখার পাশাপাশি অনুবাদ করেছেন প্রচুর। লিখেছেন আকাডেমিক/ নন-আকডেমিক নানা স্বাদের গদ্যও। বর্তমানে ভাষানগর পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত। এ যাবত প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ- ‘ভোর রাতের এইট-বি’ (২০১২)’ শূন্যের পাঁচ’ (২০১৮)

   10519667_10152747480453243_971760193_n   

SILK

by Deepak Joshi

~

The soft mass of glossy touch.

Gracing the boards of the atelier.

A vision of the slippery desire,

Unravelling what it covers.

A gleaming testimony of creation,

Mystifying the ordinary.

From cocoons to couture,

From leaves to dyes.

Pearly threads sieved into crimsons and reds,

From life to afterlife in sensuous satin.

Uncensoring the sensory,

It is transgression woven into wormy fabric.

It is SILK.

~

Image Source: http://quangho.fineartworld.com/products/lg_6468_Scarlet_Silk.jpg

नाउन | The Masseuse

by Prateeksha Pandey

~

उसके काले हाथ
मेरी सफ़ेद खाल पर
थप-थप
फिसलते हैं.
“देह कर्री रक्खौ बिटिया”—
उसकी मर्ज़ी है.

उसके खुरदुरे हाँथ
खाल पर वैसे ही चलते हैं
जैसे दोपहर में
जूठे बर्तनों पर.

नामुमकिन है
शरीर को ढक रहे आखिरी कपड़े को भी
उठा देने के उसके आदेश को नामंजूर कर देना
क्यूंकि उसके स्पर्श से
शरीर का हर पुर्जा
बेबस है.

उसमें आत्मीयता नहीं है—
जब जांघ की खाल खिचने
और मुंह से हल्की हल्की चीखें
निकलने लगती हैं
वह पाती है मुझे पराजित
और पान से लाल हुए दांतों से
मुस्कुरा उठती है.

“अबै तीन जगह जाई का है”—
वह मुझसे हाथ झाड़ती है
बाँध लेती है अपने बिखर चुके बाल
और खोंस लेती है अपने खुल आये पल्लू को
कमर में.

फिर पचास रूपए लेकर
वो निकल जाती है घर से
“बिटिया अब तुम पर रहो”—
मुझे दर्द में संतुष्ट
छोड़कर.

~

image source: http://q-zine.org/2013/12/31/portrait-of-an-artist/

 

Purging Desire: Sport, Masculinity and Homoeroticism

by Rahul Sen

~

Serious sport has nothing to do with fair play. It is bound up with hatred, jealousy, boastfulness, disregard of all rules and sadistic pleasure in witnessing violence. In other words, it is war minus shooting.” ~ George Orwell, The Sporting Spirit (1945).

On June 14, 2014, I witnessed an over-flooding of my Facebook newsfeed with status updates about Netherlands’ defeat of Spain in the FIFA World Cup 2014 in which the latter suffered a historic defeat with a score of 5-1. What was more appalling was the number of rape-analogies that were drawn in many of these status messages indicating a symbolic emasculation and feminization of the defeated team. Hash tags such as – #orange #revengeissweet #thrashing #raped or #rape #revenge #Netherlands – were widely deployed along with those status messages that disclosed a language of bestiality, monstrosity, savagery, aggressiveness, patriarchal and masculinist pride.

*****

Sport has always maintained a circuitous liaison with the politics of sex, sexuality and gender. Rather, it would be convenient to say that the politics of gender encoded in the arena of sport is problematic; fraught with issues of patriotism, desire and nationalism. Predicated on the bedrock of competition, aggressiveness then becomes the hallowed virtue of the sportsmen and the team whose defeat of the opponent is taken as a token of colonialist pride and supremacy; the joys of invading territories and land. If violence is taken as the other name for patriarchy then sport emerges as the most powerful manifestation of the patriarchal self.

At a surface level, the most striking feature of this patriarchal institution is the rigid gender-segregated nature that it maintains. The binary of man-woman, male-female, masculine-feminine with the former always reigning over the latter, is nowhere, perhaps, perpetuated so rigidly and explicitly as in sport. Apart from the exclusion of any gender variant person into the arena, one can hardly name a sport where women (with all its problematic significations) enjoy equal privileges as men. The media, then, being a partner in crime plays a pivotal role in invisibilizing even the handful of games where women take part. I can tell this with confidence that not a single person who is not associated with sport (or even those who are very much into it) can name a female cricket player who too represents the nation or state in tournaments. This institution (like many others) does not like to entertain any shade of grey or ambiguity in terms of gender; the intersex body always being excluded from its domain. When the Pinki Pramanik rape allegation came to fore in 2012, what seemed more important was to prove Pinki as a ‘man’ based on the deep seated presumption that women cannot rape women or as if the right to ‘rape’ is an exclusive prerogative to be enjoyed by men. But there was a more dangerous politics of misogyny working underneath this endeavour to prove Pinki as a ‘man’; it would then mean that all of Pinki’s national and international achievements would go to the treasure house of ‘men’, snatching from female repute in sport and adding more to the list of masculinist achievements.

Although, sport emerges as an institution that champions and reifies hegemonic masculinity, it cannot be taken as a monolith. There is hierarchization within sports as well with some games being more masculine than others. This is more true of outdoor, competitive games than indoor ones (like chess); rugby and soccer, for instance, are deemed as more masculine than cricket which demands more grace and sophistication. However, all of them are sewn with the thread of a latent misogyny and embedded homophobia. Although, in the recent times there have been gay athletes who have come out and flaunted their sexuality; sport’s entrenched association with homophobia is quite evident and not unknown to any. Even though, Google came up with a rainbow doodle against Russia’s anti-gay law, in solidarity with queer athletes and highlighting a quote from the Olympic Charter that read: “The practice of sport is a human right. Every individual must have the possibility of practicing sport, without discrimination of any kind and in the Olympic spirit, which requires mutual understanding with a spirit of friendship, solidarity and fair play”, one can hardly recall any instance where an inter-sexed body ran the race or swum the pool. What was and has been the cynosure of attention was/is the male body with rippling muscles, bare aggressiveness and steaming pride all set to devour its opponent.

In 2013, when Emerson Sheik, a Brazilian soccer star, uploaded his photo of kissing a male friend on Instagram, sport’s discomfort with same-sex intimacy was set ablaze. Homophobic slurs and slogans were brandished against him from not only the sport community but also from viewers and fans. However, Emerson’s own response comes across as even more terrifying; condemning the attack against him as an “idiotic prejudice” he went on to say that it was “Emerson the person, not Emerson the footballer” informing his own subconscious homophobia (and discerning the game as free from any gender-variance) and latching onto the same, old public/private dichotomy. What seemed discomforting for the sporting community was the kind of ‘touch’ that Emerson had indulged in; such a ‘touch’ is certainly not desired for by the sporting community. ‘Touch’ comes with its own politics and significations in sport; homosocial unit, though it seems, time and again has competitive sports (like football or rugby) and also others have revealed their embedded homoerotic strain. Think of the spectacle that we consume – sweaty bodies pouncing upon each other (after casting a goal or taking a catch); hugs that are tighter and more passionate than we experience; bodies jumping onto the back of other bodies; some bodies lifting other bodies from the ground in an act of wistful embrace; kissing too features occasionally in such a sight – yes, this is not a gay orgy that I’m describing but a sight that is very common in sports. Biting the opponent or inflicting corporeal pain is not uncommon in sports too. Such an act would be deemed homoerotic and face outright condescension and censorship outside the field; but within the field it comes across as a hegemonic masculine act to reward the teammates and purge themselves of all kinds of gender-deviance and aberrant desires with the field emerging as a purgatario. This is the apparent paradox and fraughtness on which sport thrives; desire, here, is pitted against desire. The desire to emerge hegemonically masculine is, therefore, set against the desire to indulge in a homo-sexual/social bodily exchange. It almost serves as a patriarchal ritual to exorcise latent same-sex desires and all other forms of subordinate masculinities.

messi_neymar_hug

Sport has always bordered on this slippery ground; between homophobia and homoeroticism, between the desire to emerge masculine and the desire to symbolically sodomize/penetrate the opponent with the field/playground emerging as a highly erotic zone that has been couched under hetero-patriarchal ideological legitimation. Heading towards a post-queer world, if we live by the battle-cry that ‘we are all queer’ then sport is perhaps the most living example of this. The Luis Suárez incident should not be seen in isolation; it is implicated in the larger discourse of gender politics.

Rivers of Red

by Tina Das

~

It all begins with an omen,
Of incessant downpour,
Of transparent and translucent fluids.
The city floods with ‘faith’ and ‘belief’.
The hillock of Kamakhya poised in its dirt encased steps,
To welcome its somnambulistic believers.
The frenzy will set in,
Relegating countless girls to confinement.
Shunning their secretions,
And waiting,
Four days,
For the holy river of blood,
To anoint themselves with.

~

Image Source: River of Blood by Kipke on Deviantart (http://kipke.deviantart.com/art/river-of-blood-184034180)

 

Preface

Here is a bit of quadrilingual madness brought to you by a bunch of jobless dopes apparently enrolled in Delhi University, who, after several rigorous online group chats, found something more creative to do than posting status updates on Facebook.

All jokes and seriousness apart, what we expect you to expect from us on this blog among several other existing blogs that you browse everyday or hardly ever at all, is a multicultural paradigm where creative minds hailing from diverse social, economic, and lingual backgrounds across the country will be posting their thoughts through poems, essays, fiction, and other nonsense full of sense.

We promise to be different by bringing you a unity without unities—several languages will also make their appearances without the fear of getting lost in translation. In spite of boasting of unlimited enthusiasm, you’ll understand that we have limited means, limited time, and a limited sense of focus.

So if you find us inactive after two or three months, forgive us. But if we prove you wrong, do bear with us by investing a bit of your limited time and attention. Trust us, we won’t let you down. Furthermore we’ll open all gates and invite you to come up with your own set of creations that you’d want to see on this blog!

Unlike other prefaces this preface will not conclude with unbound optimism and hope but make a stark statement of how things will follow- we’ll commit sins, satire, and sacrilege dastardly enough to keep our readers wondering for a while! Till then, keep browsing for more!

of memories and metaphors